কৃষকদের সহায়তায় সারে ভর্তুকি ও অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা সরকারের

0
51

ধান আমাদের বড় সম্পদ। ভাত বাঙালির প্রধান খাদ্য। ভাত প্রধানত শর্করা সরবরাহ করে। এতে শর্করা ৭৯%,স্নেহ ৬%,কিছু পরিমানে আমিষ,ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে। ২০০৮ সালে বর্তমান সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর চালের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তাদের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এর চলমান কার্যক্রমগুলো আরও জোরালোভাবে কার্যকর করার পাশাপাশি কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি হলো চালের এবং অন্যান্য কৃষি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর প্রক্রিয়ায় সুষম সার ব্যবহারে কৃষক ভাইদের উৎসাহিত করার জন্য পটাশ ও ফসফেট সারের কেজি প্রতি বিক্রির দাম যথাক্রমে ৬০ টাকা থেকে ১৫ টাকা এবং ৭২ টাকা থেকে ২২ টাকায় নামিয়ে আনা। এ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলে কৃষক ভাইরা ধানসহ অন্যান্য সব কৃষিপণ্য উৎপাদনে ইউরিয়া সারের পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণ পটাশ ও ফসফেট সারের ব্যবহারে ব্যাপকভাবে আগ্রহী হয়ে ওঠে। ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির সব কার্যক্রমকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে কৃষক ভাইদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা বিধানে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার কৃষককে উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদানও করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের প্রায় এ কোটি কৃষক ভাইদের মাত্র ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের দেশে গ্রামে বসবাসকারী ৭৫ শতাংশ মানুষ সম্পূর্ন ভাবে ধান চাষের উপর নির্ভরশীল। রেডিও সৈকতের কৃষান কৃষানী অনুষ্ঠানের জন্য আমরা গিয়েছিলাম খুরুশ টাইম বাজার এলাকায় । কথা বলি একজন ধান চাষী কৃষকের সাথে। বর্ষা মৌসুমে চালের চাষ ছাড়াও তিনি অন্যান্য সবজিও চাষ করেন। তার নাম সনজিত দে। তিনি বলেন, তিনি বিগত দশ বছর ধরে কৃষি পেশায় নিয়োজিত আছেন। বর্ষা মৌসুমে তিনি হরিধান, সোনালী পায়জামসহ আমন ধানের চাষ করেছেন। সাথে মৌসুমী সবজিও চাষ করেন তিনি। কিন্তু প্রায় সময় পোকামাকড়ের আক্রমন করলে তাদের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তখন তারা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে তখন তাদের অনেক কষ্ট হয়। এই দরিদ্র কৃষকদের বিভিন্ন প্রনোদনা দানের মাধ্যমে সরকার সদয় সহযোগিতা করবেন এই প্রত্যাশা থাকবে রেডিও সৈকতের ।

Spread the love

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here