উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর, পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারীসহ ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার সবসময় শিশু সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। কক্সবাজারে হামের প্রাদুর্ভাব শনাক্ত হওয়ার পরপরই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় দ্রুত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আক্রান্ত এলাকায় সক্রিয় অনুসন্ধান, সংক্রমিত শিশুদের দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল প্রদান, টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়া এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন।
তিনি আরও জানান, কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ইউনিসেফের সহযোগিতায় ৮ শয্যার হাম ওয়ার্ডকে ২০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন জানান, প্রথম ধাপে অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মহেশখালীর ৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং রামুর ৪টি ইউনিয়নে এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় দুই উপজেলার মোট ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রথম দিনে মহেশখালীতে ৪,২৩০ এবং রামুতে ২,০০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।